আমাদের দেশে এগ্রো ফুড পণ্যের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। সেই লক্ষ্যে এগ্রোবেসড্‌ শিল্ল্প কারখানা গড়ে উঠছে। এই কলকারখানাগুলোতে অধিক উৎপাদনের লক্ষ্যে দক্ষ জনবল তৈরির জন্য উল্লেখযোগ্য কোন কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই। ফলে অদক্ষ শ্রমশক্তি দিয়ে কারখানাগুলো চলছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য এ্যাপ্রেনটিসশিপ কর্মসূচির কোন বিকল্প নেই। তাই সবার জন্য যথোপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরণ ও মাথাপিছু রেমিট্যান্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রাম দেশে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করছে। বেকার যুবক-যুব মহিলাগণকে চাহিদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ সরবরাহের ফলে অধিক দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি হচ্ছে যা শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও কাঁচামালের অপচয় রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রাম ১৭- ৩০ বছর বয়সীদের জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের একটি সমন্বিত মিশ্রণ। এর ফলে বেকার যুবক-যুব মহিলারা বিভিন্ন ট্রেডে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে যথোপযুক্ত কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারছেন। ব্যবসা বড় অথবা ছোট যাই হোক না কেন, একজন দক্ষ কর্মী ব্যাবসার উৎপাদন এবং মুনাফা বৃদ্ধি করতে পারে। এ্যাপ্রেনটিস নিয়োগ শিল্প- প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে যা ভবিষ্যতে ব্যবসার বিকাশ ও প্রতিযোগিতার জন্য জরুরি।

  • ৬ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ
  • ১৭-৩০ বছর শ্রম আইন অনুযায়ী এ্যাপ্রেনটিস এর বয়সসীমা
  • ৫০টি উপজেলায় ৩৫০ এর বেশি অপ্রতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান
  • সপ্তাহে ১দিন তাত্ত্বিক (অব দি জব/সফ্ট স্কিল্স ক্লাশ) প্রশিক্ষণ
  • ২৭০০+ এ্যাপ্রেনটিস এর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
  • শতভাগ নিশ্চিত কর্মসংস্থান
  • সপ্তাহে ৫দিন হাতে কলমে (অন দি জব) প্রশিক্ষণ
  • ২০টির অধিক প্রাতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান

উদ্ভাবনী চর্চা

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরিতে সহায়ক
  • প্রশিক্ষণ খরচ নেই
  • এগ্রোফুড শিল্প-কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি
  • ১০০% কর্মসংস্থান নিশ্চিত
  • সরাসরি এগ্রোফুড কারখানার কাজ, ফলে দ্রুত এ সেক্টরে দক্ষতা অর্জন
  • যথোপযুক্ত কাজ নিশ্চিত করে
  • পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের চর্চা অসুসরণ করে কাজ করে
  • কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদিত কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ
  • জাতীয় কারিগরি এবং বৃত্তিমুলক যোগ্যতা কাঠামো (NTVQF) অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ
  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে জাতীয় সনদ লাভ
  • প্রশিক্ষণ শেষে বিএমইটি থেকে সার্টিফিকেট লাভ, যা পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে গ্রহণযোগ্য
  • যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন এবং অন্যন্য অর্থনৈতিক সুবিধা
  • এ্যাপ্রেনটিসশিপ সংক্রান্ত ব্যয় করমুক্ত, প্রশিক্ষনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি শুল্কমুক্ত।

উল্লেখযোগ্য ট্রেডসমূহ

এগ্রোফুড প্রসেসিং সেক্টরে ৪টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ চলমান আছে, ট্রেডগুলো হলো

  • বেকিং
  • সুইটমিট মেকিং
  • ফুড প্যাকেজিং
  • ফুড প্রসেসিং এন্ড কোয়ালিটি কন্ট্রোল

আমাদের পার্টনারসমূহ
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
কেস স্টাডি

স্বাবলম্বী হওয়ার ক্ষেত্রে স্বল্প শিক্ষা কোন বাধা নয়

নাম : সাথী আক্তার
পিতা: মোঃ আলম সরদার

সাথী আক্তার বরিশাল বিভাগের পটুয়াখালী জেলার বাসিন্দা। তার বাবা একজন রাজমিস্ত্রি। এক ভাই তিন বোন নিয়ে সাথীদের পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুবই খারাপ ছিল। খুবই কষ্টে তাদের দিন কাটছিল। অর্থের অভাবে সাথীর বেশি পড়াশুনা করা সম্ভব হয় নাই। স্বল্প শিক্ষিত হওয়ার ফলে চাকুরীর জন্য আবেদন করতে পারছিল না সাথী। নিজেকে অসহায় মনে হচ্ছিল সাথীর। পরিবারের হাল ধরার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও কিছুই করতে পারছিল না সে।

হঠাৎ একদিন এক বান্ধবীর কাছ থেকে একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম-এর সহযোগিতায় বিটাক-এর আওতায় পরিচালিত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প শুনে সাথী। তার স্বাবলম্বী হওয়ার গল্প শুনে সাথীর নিজেরও প্রশিক্ষণ গ্রহণের আগ্রহ তৈরি হয়। এরপর উপজেলা পর্যায় ট্যালেন্ট হান্টিং প্রোগ্রামের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়ে বিটাকে প্রশিক্ষণের জন্য আসে সাথী এবং ৩৪ তম ব্যাচে ইলেকট্রিক্যাল ট্রেডে ভর্তি হয়। ৩ মাস মেয়াদী এই প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে তার মনোবল বৃদ্ধি পায়। তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক ক্লাসের মাধ্যমে তার প্রশিক্ষণ জ্ঞান অনেক সমৃদ্ধ হয়। প্রতি শনিবার মোটিভেশনাল অনুষ্ঠানে স্যারদের অনুপ্রেরনায় ও দিকনির্দেশনা সাথী ও তার মতো অন্যদের স্বপ্ন দেখতে সাহায্য করে, যা তাদের নিজেদেরকে স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখিয়েছে।

প্রশিক্ষণ শেষে এটুআই প্রোগ্রাম ও বিটাক যৌথভাবে জব ফেয়ার-এর আয়োজন করে এবং উক্ত প্রোগ্রামের মাধ্যমে সাথীর প্রাণ-আরএফএল গ্রুপে চাকরি হয়। এখানে ৮ ঘন্টা ডিউটির পাশাপাশি ওভার টাইম করার সুযোগ পাচ্ছে সাথী। চাকরিতে তার মাসিক বেতন ৬,৩০০/- টাকা পাশাপাশি ওভার টাইম করার জন্য আরো ২,৫০০-৩,০০০ টাকা পাচ্ছে। কোম্পানির অভ্যন্তরে থাকা ও খাওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে এর জন্য ১৫০০ টাকা কর্তন করে নেয়া হয়। চাকরি পাওয়ার ফলে সাথী নিজে সাবলম্বী হয়েছে, সেই সাথে তার পরিবারকে সাহায্য করার সুযোগ পাচ্ছে।

  • ২৪,০০০+ বেকার যুবক-যুব মহিলার প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
  • মহিলাদের ৩ মাস মেয়াদী এবং পুরুষদের ২ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ
  • প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান ও শিল্প প্রতিষ্ঠানে সরাসরি চাকুরির ব্যবস্থা
  • প্রশিক্ষণ খরচ নেই
  • প্রযুক্তিনির্ভর ট্রেডে প্রশিক্ষণ
  • ১০,০০০+ নারী প্রশিক্ষণার্থী

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত রূপকল্প ২০২১ বাস্তবায়নের অন্যতম বিষয় ছিল দক্ষ মানবসম্পদ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি। সবার জন্য যথোপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরন ও মাথাপিছু রেমিট্যান্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রামের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হলো ‘কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষতা’। ‘সমাজের কোন অংশকে বাদ দিয়ে উন্নয়ন নয়’-মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যকে মূলমন্ত্র ধরে এটুআই প্রোগ্রামের পক্ষ থেকে নানাবিধ দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এর মধ্যে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর অন্যতম।

ধোলাইখাল সহ বাংলাদেশের বিদ্যমান লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং সেক্টর বর্তমানে পুরাতন টেকনোলজি অনুযায়ী কাজ করছে বিধায় এর কোয়ালিটি এবং উৎপাদনশীলতা আন্তর্জাতিক মানের নয়। ফলে স্থানীয় বাজারসহ আন্তর্জাতিক বাজারে বিপুল সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও এর সুফল পাওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং এর বেজ না থাকাতে বিদেশী বিনিয়োগও বাধাগ্রস্থ হচ্ছে । এই সেক্টরকে উন্নত করতে হলে কম্পিউটার নিউমেরিক্যাল কন্ট্রোল (সিএনসি) মেশিন ব্যবহারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কারিগরি সহায়তা প্রয়োজন । ইতোমধ্যে কোনো কোনো স্থানীয় উদ্যোক্তা সিএনসি মেশিন আমদানী করে ম্যানুফ্যাকচারিং কাজ করার চেষ্টা করলেও বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদেরকে উচ্চ বেতনে ভারত অথবা চীন থেকে অপারেটর হায়ার করতে হচ্ছে এবং রক্ষণাবেক্ষণের জন্য বিদেশ হতে এক্সপার্ট হায়ার করতে হচ্ছে। ফলে সিএনসি মেশিনের মাধ্যমে হাই টেক টেকনোলজি ব্যবহার অর্থনৈতিকভাবে সম্ভব হচ্ছে না ।

আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে এই সেক্টরকে উন্নত করতে কম্পিউটার নিউমেরিক্যাল কন্ট্রোল (সিএনসি) মেশিনের টেকনোলজি প্রর্বতন সহ কোয়ালিটি নিশ্চিত করার জন্য আধুনিক টেস্টিং ফ্যাসিলিটি এবং এসএমই উদ্যোক্তাদের জন্য কমন ফ্যাসিলিটি হিসাবে অত্যাধুনিক উচ্চমূল্যের ম্যানুফ্যাকচারিং মেশিন সুবিধা প্রদান করার জন্য এই প্রকল্প প্রনয়ন করা হয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সিএনসি মেশিনের জন্য দক্ষ ডিজাইন প্রকৌশলী, অপারেটর এবং মেইন্টেন্যান্স প্রকৌশলী স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষিত হবে যাদের মাধ্যমে সার্বজনীনভাবে সিএনসি টেকনোলজি প্রবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় লোকবলের চাহিদা পূরণ হবে পাশাপাশি উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে তাদের উচ্চ বেতনে কর্মসংস্থান নিশ্চিত হবে।

উদ্ভাবনী চর্চা

  • সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা
  • স্থানীয়ভাবে প্রশিক্ষিত দক্ষ ডিজাইন প্রকৌশলী, অপারেটর এবং মেইন্টেন্যান্স প্রকৌশলী
  • স্থানীয় প্রয়োজনীয় লোকবলের চাহিদা পূরণ
  • আন্তর্জাতিক মানের পণ্য তৈরীর দক্ষতা অর্জন
  • উচ্চ বেতনে উন্নত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থান
  • সহজ শর্তে ব্যাংক লোন দিয়ে উদ্যোক্তা তৈরীর আকর্ষণীয় সুযোগ
  • অধিক কার্যকর শিল্প-প্রতিষ্ঠান এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি

উল্লেখযোগ্য ট্রেডসমূহ

যুব-মহিলাদের জন্য

  • লাইট মেশিনারিজ
  • ইলেকট্রনিক্স
  • ইলেকট্রনিক্যাল মেইনটেন্যান্স
  • অটোক্যাড
  • রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনার
  • হাউজ হোল্ড অ্যাপ্লায়েন্স রক্ষণাবেক্ষণ
  • কার্পেন্ট্রি
  • পপ্লাস্টিক প্রসেসিং (কাস্টমাইজ)-এ ৩ মাস মেয়াদী (বিটাকের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে) প্রশিক্ষণ।

পুরুষদের জন্য:

  • ওয়েল্ডিং
  • ইলেকট্রিক্যাল ও রেফ্রিজারেশন এন্ড এয়ার কন্ডিশনার ২ মাস মেয়াদী (খুলনা, চট্রগ্রাম, চাঁদপুর ও বগুড়া কেন্দ্রে) প্রশিক্ষণ।

আমাদের পার্টনারসমূহ
  • Image
  • Image

একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) এর উদ্যোগে জেলা ব্র্যান্ডিং এর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ব্র্যান্ডিং-প্রতিটি জেলাকে একটি সুনির্দিষ্ট রূপকল্প দেবে-যা গৃহীত কর্মপরিকল্পনার সুসংগঠিত বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেই জেলাকে একটি গন্তব্যে পৌঁছাতে সাহায্য করবে। একটি জেলার সর্বস্তরের মানুষের আশা-আকাঙ্খা, ঐতিহ্য, গৌরবকে দেশে-বিদেশে ভাস্বর করে তোলার লক্ষ্যে সকলের একাত্ম হয়ে কাজ করার জন্য জেলা-ব্র্যান্ডিং গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ইতোমধ্যে জেলা ব্র্যান্ডিং হিসেবে ট্যুরিজমকে বেছে নেয়া হয়েছে। ট্যুরিজম কেন্দ্রিক জেলা ব্র্যান্ডিং হলে ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি বিষয়ক ব্যাপক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

ইতিমধ্যে, এটুআই প্রোগ্রামের তত্ত্বাবধায়নে ও জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে দেশের ৩টি জেলায় (বান্দরবান, মৌলভীবাজার ও সাতক্ষীরা) জেলা ব্র্যান্ডিং এর আওতায় পাইলট আকারে ট্যুর গাইড বিষয়ক দক্ষতা উন্নয়ন পোগ্রাম চালু করা হয়। জেলা প্রশাসনের সমন্বয়ে এ ৩টি জেলার টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ (বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অন্তর্ভুক্ত) ট্যুর গাইড বিষয়ক প্রশিক্ষণ আয়োজন করে।

এছাড়াও, এটুআই প্রোগ্রাম ও ইন্ডাস্ট্রি স্কিলস কাউন্সিল ফর ট্যুরিজম এ্যান্ড হসপিটালিটি; ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি সেক্টরে ৪,০০০ বেকার যুবককে বিভিন্ন ট্রেডে দক্ষতা উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা নিয়েছে। অর্থ বিভাগের স্কিলস ফর এমপ্লয়মেন্ট ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম (SEIP) এ উদ্যোগে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করছে।

  • ৫০০০+
    এ্যাপ্রেনটিসশিপ
  • ৩৬০
    ঘণ্টাব্যাপী প্রশিক্ষণ
  • বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন NTVQF সনদ লাভ
  • ৩ টি জেলায়
    ১৮০ জনকে ট্যুর গাইড বিষয়ক প্রশিক্ষণ

উদ্ভাবনী চর্চা

  • জেলা ব্র্যান্ডিং
  • ট্যুরিজম ও হসপিটালিটি সেক্টরের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি
  • কর্মসংস্থান  সৃষ্টি
  • বেকারত্ব দূরীকরণ ও আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিকরণ

উল্লেখযোগ্য ট্রেডসমূহ

  • কুকিং
  • ফুড এন্ড ব্যাবারেজ সার্ভিস
  • হউসকিপিং
  • রিসিপশন
  • লেদার গুডস মেশিন অপারেটর
  • ফুটওয়্যার মেশিন অপারেটর

আমাদের পার্টনারসমূহ
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image

বাংলাদেশের চামড়া শিল্প আন্তর্জাতিক বাজারে বেশ সুনাম অর্জন করেছে। নতুন নতুন অনেক শিল্প-কারখানা স্থাপিত হচ্ছে। সেই তুলনায় দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার তেমন কোন উল্লেখযোগ্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নেই। ফলে অর্ধ-দক্ষ, অদক্ষ শ্রমশক্তি বাজরে ঢুকছে, যা কল-কারখানার মান নিয়ন্ত্রণ এর ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি করছে। এজন্য এ্যাপ্রেনটিসশিপ কার্যক্রমের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি করা সম্ভব, যা শিল্প কল-কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।

  • শ্রম আইন অনুযায়ী এ্যাপ্রেনটিস এর বয়সসীমা (১৭-৩০ বছর)
  • সপ্তাহে ৫দিন হাতে কলমে (অন দি জব) প্রশিক্ষণ
  • সপ্তাহে ১দিন তাত্ত্বিক (অব দি জব/সফ্ট স্কিল্স ক্লাশ) প্রশিক্ষণ
  • ৬ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ
  • ১৫০০+ এ্যাপ্রেনটিস এর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
  • শতভাগ নিশ্চিত কর্মসংস্থান
  • ২৫টির অধিক প্রাতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান

উদ্ভাবনী চর্চা

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরিতে সহায়ক
  • প্রশিক্ষণ খরচ নেই
  • চামড়া শিল্প-কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি
  • ১০০% কর্মসংস্থান নিশ্চিত
  • সরাসরি চামড়া শিল্প কারখানার কাজ, ফলে দ্রুত এ সেক্টরে দক্ষতা অর্জন
  • যথোপযুক্ত কাজ নিশ্চিত করে
  • পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের চর্চা অসুসরণ করে কাজ করে
  • কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদিত কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ
  • জাতীয় কারিগরি এবং বৃত্তিমুলক যোগ্যতা কাঠামো (NTVQF) অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ
  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে জাতীয় সনদ লাভ
  • প্রশিক্ষণ শেষে বিএমইটি থেকে সার্টিফিকেট লাভ, যা পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে গ্রহণযোগ্য
  • যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন এবং অন্যন্য অর্থনৈতিক সুবিধা
  • এ্যাপ্রেনটিসশিপ সংক্রান্ত ব্যয় করমুক্ত, প্রশিক্ষনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি শুল্কমুক্ত।

উল্লেখযোগ্য ট্রেডসমূহ

  • চামড়া শিল্পে ৬টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ চলমান আছে
  • ট্রেডগুলো হলো- মেশিন অপারেশন্স (ফুটওয়্যার)
  • সুপারভাইজার, মেশিন অপারেশন্স (লেদার গুডস্‌)
  • মেশিন অপারেশন্স (ট্যানারি), অ্যাপারেল স্ক্রিন প্রিন্টিং
  • লেদ মেশিন মেইনটেনেন্স

আমাদের পার্টনারসমূহ
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
কেস স্টাডি

ভাগ্য পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে সেসালস গমন

নাম: মোঃ আমজাদ হোসাইন
পিতা: মোঃ শামসুল হুদা
মাতা: আনোয়ারা বেগম
বোয়ালিয়া, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা

মোঃ আমজাদ হোসাইন পরিবারের বড় সন্তান। বাবা-মা, স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে তাদের সংসার। সংসারের অভাবের কারণে এসএসসি (দাখিল) পরীক্ষার পর বন্ধ হয়ে যায় তার লেখাপড়া। তার পিতা অসুস্থতার কারণে অবসরে চলে যান। পরিবারের আর্থিক অভাব মেটানোর জন্য কাজে লেগে যান। শুরু করেন রাজমিস্ত্রির কাজ। কিন্তু আয় কম হওয়ায় পাঁচজনের পরিবার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। কি করবে বুঝতে পারছিলেন না।

কিন্তু এই অনিশ্চয়তা থেকে তাকে আলোর পথে নিয়ে আসে বিদেশ গমনেচ্ছুদের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন প্রোগ্রাম। ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে তিনি জানতে পারেন একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম ও জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)-এর যৌথ উদ্যোগে দক্ষ কর্মী বানানোর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি এ প্রশিক্ষণের জন্য নাম লেখান ও সাক্ষাতকার দেন। সেসালস সরকারের চাহিদা মোতাবেক ট্রেডে সফলভাবে প্রশিক্ষণ শেষ করেন। প্রশিক্ষণ শেষ করে সনদপত্র ও স্মার্ট কার্ড গ্রহণ করে ভাগ্য পরিবর্তনের উদ্দেশ্যে ফেবস কো কন্সট্রাকশন লিমিটেড কোম্পানীতে মাসিক ৫০০ ডলার (থাকা-খাওয়া বাদে) বেতনে মেসন (রাজমিস্ত্রী) ট্রেডে সেসালস যান। তিনি আশাবাদী এবং আনন্দিত এই জন্য যে, এর ফলে পরিবারের অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা দূর হবে এবং সাথে সাথে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারবে, হতে পারবে দিন বদলের কারিগর।

  • ৬ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ
  • সপ্তাহে ৫দিন হাতে কলমে (অন দি জব) প্রশিক্ষণ
  • শ্রম আইন অনুযায়ী এ্যাপ্রেনটিস এর বয়সসীমা (১৭-৩০ বছর)
  • সপ্তাহে ১দিন তাত্ত্বিক (অব দি জব/সফ্ট স্কিল্স ক্লাশ) প্রশিক্ষণ
  • ৩০০০+ এ্যাপ্রেনটিস এর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
  • ৫০টি উপজেলায় ১৪০ এর বেশি অপ্রতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান
  • শতভাগ নিশ্চিত কর্মসংস্থান
  • ৪০০টির অধিক প্রাতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান

দেশের বাইরের মোট শ্রমশক্তির বেশিরভাগ অংশ হচ্ছে নির্মাণ শ্রমিক। এই নির্মাণ শ্রমিকদের দক্ষতার স্বীকৃতি এবং যথোপযুক্ত কাজ এর প্রশিক্ষণ না থাকায় তারা উপযুক্ত বেতন পাচ্ছে না, ফলে দেশ বিপুল পরিমান বৈদেশিক রেমিট্যান্স থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এই সেক্টরে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরির কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থাকলেও তা যথেষ্ঠ নয়। এই প্রেক্ষিতে সবার জন্য যথোপযুক্ত কর্মসংস্থান নিশ্চিতকরন ও মাথাপিছু রেমিট্যান্স বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রাম দেশে দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরিতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা পালন করছে। বেকার যুবক-যুব মহিলাগণকে চাহিদা ভিত্তিক দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ সরবরাহের ফলে অধিক দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরি হচ্ছে যা শিল্প-প্রতিষ্ঠানগুলোর সার্বিক উৎপাদন বৃদ্ধি করতে ও কাঁচামালের অপচয় রোধে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।

এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রাম ১৭-৩০ বছর বয়সীদের জন্য হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ ও তাত্ত্বিক প্রশিক্ষণের একটি সমন্বিত মিশ্রণ। এর ফলে বেকার যুবক-যুব মহিলারা বিভিন্ন ট্রেডে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ শেষে যথোপযুক্ত কর্মসংস্থানে যুক্ত হতে পারছেন। ব্যবসা বড় অথবা ছোট যাই হোক না কেন, একজন দক্ষ কর্মী ব্যাবসার উৎপাদন এবং মুনাফা বৃদ্ধি করতে পারে। এ্যাপ্রেনটিস নিয়োগ শিল্প- প্রতিষ্ঠানের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে যা ভবিষ্যতে ব্যবসার বিকাশ ও প্রতিযোগিতার জন্য জরুরি।

উদ্ভাবনী চর্চা

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরিতে সহায়ক
  • প্রশিক্ষণ খরচ নেই
  • নির্মাণ শিল্প-কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি
  • ১০০% কর্মসংস্থান নিশ্চিত
  • সরাসরি কন্সট্রাকশন কলকারখানার কাজ, ফলে দ্রুত এ সেক্টরে দক্ষতা অর্জন
  • যথোপযুক্ত কাজ নিশ্চিত করে
  • পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের চর্চা অসুসরণ করে কাজ করে
  • কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদিত কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ
  • জাতীয় কারিগরি এবং বৃত্তিমূলক যোগ্যতা কাঠামো (NTVQF) অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ
  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে জাতীয় সনদ লাভ
  • প্রশিক্ষণ শেষে বিএমইটি থেকে সার্টিফিকেট লাভ, যা পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে গ্রহণযোগ্য
  • যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন এবং অন্যন্য অর্থনৈতিক সুবিধা
  • এ্যাপ্রেনটিসশিপ সংক্রান্ত ব্যয় করমুক্ত, প্রশিক্ষনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি শুল্কমুক্ত।

উল্লেখযোগ্য ট্রেডসমূহ

কন্সট্রাকশন সেক্টরে ৬টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ চলমান আছে, ট্রেডগুলো হলো-

  • প্লাম্বিং
  • ইলেকট্রিকাল ইনস্টলেশন এন্ড মেইনটেনেন্স
  • সইলেকট্রিকাল ইনস্টলেশন এন্ড মেইনটেনেন্স
  • মেসনারি
  • রড বাইন্ডিং
  • বিল্ডিং পেইন্টস ও টাইলস্ ওয়ার্কস

আমাদের পার্টনারসমূহ
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
কেস স্টাডি

বাক-প্রতিবন্ধী হয়েও এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি

নাম: মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম পাপ্পু
পিঁতার নাম: মোহাম্মদ জাকের আলী
মাতার নাম: মোছাঃ শাহানাজ পারভীন
ঠিকানা: পবা, রাজশাহী

মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম পাপ্পু বাবা-মার চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয়। বাবা চাকুরী থেকে অবসর গ্রহণ করলে পরিবার ভীষণভাবে আর্থিক দীনতার মুখোমুখি হয়। বড় দুই বোন ও ছোট এক ভাই থাকায় পাপ্পুর নিজের উপরই পরিবারের হাল ধরার দায়িত্ব পড়ে। কিন্তু তার কোন কাজে প্রশিক্ষণ না থাকায়, সে কোন কাজ করতে পারছিল না। পাশাপাশি কথা বলতে অক্ষম হওয়াতে তাকে কাজ পাওয়ার বিষয়ে আরো বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। এ অবস্থায় স্থানীয় উদ্যোক্তার মাধ্যমে জানতে পারেন যে এটুআই প্রোগ্রামের উদ্যোগে রাজশাহী জেলার পবা উপজেলাতে কার্পেন্ট্রি ট্রেডে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে এবং পরবর্তীতে সনদ প্রদান করা হবে। তারপর বাড়িতে সরকারের এ এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রাম সম্পর্কে আলোচনা করে পাপ্পু এই প্রোগ্রামে যোগদান করেন। বর্তমানে তিনি পার্শ্ববর্তী দোকানে কার্পেন্ট্রি কাজ করে প্রতিমাসে ৫,০০০ টাকা উপার্জন করছেন। ফলে তিনি পরিবারে অর্থনৈতিকভাবে অবদান তো রাখছেনই, পাশাপাশি ছোট ভাইয়ের পড়াশোনার দায়িত্বও গ্রহণ করেছেন। পাপ্পু শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী হয়েও এ্যাপ্রেনটিসশিপ প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি হয়ে সমাজের সবার কাছে এক অনন্য দৃষ্টান্ত হয়েছেন।

  • ৬ মাস মেয়াদী প্রশিক্ষণ
  • শ্রম আইন অনুযায়ী এ্যাপ্রেনটিস এর বয়সসীমা (১৭-৩০ বছর)
  • ৫০টি উপজেলায় ৫০০ এর বেশি অপ্রতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান
  • সপ্তাহে ১দিন তাত্ত্বিক (অব দি জব/সফ্ট স্কিল্স ক্লাশ) প্রশিক্ষণ
  • ২৫০০ এর বেশি এ্যাপ্রেনটিস এর প্রশিক্ষণ সমাপ্ত
  • শতভাগ নিশ্চিত কর্মসংস্থান
  • সপ্তাহে ৫দিন হাতে কলমে (অন দি জব) প্রশিক্ষণ
  • ১৫টির অধিক প্রাতিষ্ঠানিক শিল্প প্রতিষ্ঠান

বাংলাদেশের ফার্নিচার শিল্প দ্রুত বৃদ্ধি হচ্ছে। চাহিদা অনুযায়ী এই শিল্পের দক্ষ জনশক্তি তৈরির প্রতিষ্ঠান অপ্রতুল। সরকারিভাবে কিছু কিছু কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র এবং একটি সরকারি পলিটেনিক ইন্সটিটিউট আছে। কিন্তু প্রাইভেট সেক্টরে কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান মাত্র একটি। ফার্নিচার শিল্প দেশের অভ্যন্তরীন চাহিদা মিটিয়ে এখন পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ফার্নিচার রপ্তানি করছে এবং দেশের অর্থর্নৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বেশ অবদান রাখছে। তাই এ সেক্টরে দক্ষ জনশক্তি তৈরির জন্য এ্যাপ্রেনটিসশিপ কর্মসূচির কোন বিকল্প নেই।

উদ্ভাবনী চর্চা

  • জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের দক্ষ শ্রমশক্তি তৈরিতে সহায়ক
  • প্রশিক্ষণ খরচ নেই
  • ফার্নিচার শিল্প-কারখানার উৎপাদন বৃদ্ধি
  • ১০০% কর্মসংস্থান নিশ্চিত
  • সরাসরি ফার্নিচার কারখানার কাজ, ফলে দ্রুত এ সেক্টরে দক্ষতা অর্জন
  • যথোপযুক্ত কাজ নিশ্চিত করে
  • পেশাগত নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যের চর্চা অসুসরণ করে কাজ করে
  • কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অনুমোদিত কম্পিটেন্সি স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী প্রশিক্ষণ
  • জাতীয় কারিগরি এবং বৃত্তিমুলক যোগ্যতা কাঠামো (NTVQF) অনুসরণ করে প্রশিক্ষণ
  • কারিগরি শিক্ষা বোর্ড থেকে জাতীয় সনদ লাভ
  • প্রশিক্ষণ শেষে বিএমইটি থেকে সার্টিফিকেট লাভ, যা পৃথিবীর প্রায় সকল দেশে গ্রহণযোগ্য
  • যোগ্যতা অনুযায়ী বেতন এবং অন্যন্য অর্থনৈতিক সুবিধা
  • এ্যাপ্রেনটিসশিপ সংক্রান্ত ব্যয় করমুক্ত, প্রশিক্ষনের প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম আমদানি শুল্কমুক্ত।

উল্লেখযোগ্য ট্রেডসমূহ

ফার্নিচার সেক্টরে ৯টি ট্রেডে প্রশিক্ষণ চলমান আছে, ট্রেডগুলো হলো-

  • কার্পেন্ট্রি
  • ল্যাকার পলিশিং
  • উড কারভিং
  • উড ওয়ার্কার মেশিন অপারেশন
  • আপ হোলস্ট্রি ওয়ার্কস
  • স্টিল কাটিং এন্ড ডিজাইন
  • পেইন্টিং এন্ড কোটিং
  • স্টিল ফার্নিচার মেকিং
  • গ্লাস এন্ড মিরর ফিটিং

আমাদের পার্টনারসমূহ
  • Image
  • Image
  • Image
  • Image
Contact
একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই)
E-mail: skills@a2i.gov.bd
Phone:+1-202-555-0183
পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে
Imagr
কারিগরি সহায়তায়
Imagr